ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ , ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত সাপাহার কলেজের বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠানে 'এমপি' মোস্তাফিজুরের বক্তব্যে সন্তুষ্টিতে উল্লসিত শিক্ষার্থীরা রাণীনগরে নয়া ওসির যোগদান ফুলবাড়ীর প্রধান সড়কের পার্শ্বে পণ্য রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গুরুদাসপুরে আলোচনা সভা তানোরের চাঁদপুর স্কুলে বিদায় ও নবীন বরণ মোহনপুরের কৃষিতে নতুন সম্ভবনা চুইঝাল শিক্ষাই জাতির উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি: রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী রাজশাহীতে অটোরিক্সা ছিনতাইচেষ্টায় দুইজন গ্রেপ্তার, পলাতক ২ যুক্তরাষ্ট্রে মানব পাচার মামলায় মুখোমুখি বাংলাদেশি নাগরিক ১৭ বছর পর ভাত খেলেন ইনু মিয়া লালপুরে গৌরীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রাজশাহী মহানগরীর ৫৪ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেবে রাসিক হাত-পা বেঁধে ফ্রিজে থাকা মাছ-মাংস লুট করল ডাকাতদল মুরগি বিক্রির কথা বলে ডেকে এনে ছিনতাই গুরুদাসপুরে ৮ টাকার চা ফিরল ৫ টাকায় ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নিয়ামতপুরে দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা ভয়াবহভাবে বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া ফুলবাড়ীতে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা পহেলা বৈশাখ নববর্ষ উদযাপন

  • আপলোড সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০৬-২০২৫ ০৪:০৬:১৯ অপরাহ্ন
ফুলবাড়ীতে চামড়া কিনে অনিশ্চয়তায় ব্যবসায়ীরা
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর প্রবীণ চামড়া ব্যবসায়ী আলী আকবর হাশমী (৬৫) পৈত্রিক সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। প্রতি বছর কোরবানির মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন খুচরা ও মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া কিনে নিজ আড়তে সংরক্ষণ করেন তিনি। তবে এ বছর কেনা চামড়া নিয়ে পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

এ বছর তিনি দেড় হাজার গরুর ও এক হাজার ছাগলের কাঁচা চামড়া কিনেছেন। প্রতিটি গরুর চামড়া গড়ে ৮৫০ টাকায় এবং ছাগলের চামড়া ৫০ টাকায় কেনা হয়েছে। এর সঙ্গে সংরক্ষণ খরচ যোগ হয়ে প্রতিটি গরুর চামড়ার মোট খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকা এবং ছাগলের ২০০ টাকা।

এই দামে কেনা চামড়া বিক্রি করতে হলে বাজার থেকে এর চেয়ে বেশি দাম পাওয়া জরুরি। কিন্তু ঢাকার ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পরিস্থিতি আশানুরূপ নয় বলে জানান আলী আকবর হাশমী। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ১৮ লাখ ৫০০ টাকার চামড়া কিনেছেন। তবে লাভ-লোকসানের হিসাব মিলবে তখনই, যখন ঢাকার ট্যানারি মালিকদের মনোনীত নাটোর, পলাশবাড়ী ও তারাগঞ্জের আড়তদাররা কেনাকাটা শুরু করবেন।

আলী আকবর হাশমী বলেন, ‘একসময় সরাসরি ঢাকার ট্যানারিতে চামড়া পাঠাতাম। কিন্তু টাকার জন্য বছরের পর বছর ঘুরতে হতো। এখনও কয়েকজন ট্যানারি মালিকের কাছে আমার অন্তত ৩০ লাখ টাকা আটকে আছে। একজন তো ব্যবসা গুটিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। বাধ্য হয়ে এখন ট্যানারির মনোনীত আড়তদারদের কাছে চামড়া বিক্রি করি। তবুও টাকা তুলতে ৩-৪ মাস সময় লেগে যায়। ফলে ব্যাংকের সুদের বোঝা বাড়তে থাকে।’

তিনি আরও জানান, গত বছর চামড়া বিক্রি করে প্রায় ৫ লাখ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছিল। এবারও সরকার নির্ধারিত দাম থাকলেও বাস্তবে সেই দাম পাওয়া যাচ্ছে না। সিন্ডিকেটের কারণে ক্ষুদ্র ও মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া দামে চামড়া কিনে ভালো দামে বিক্রি করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আগামীকাল শুক্রবার (১৩ জুন) ট্যানারির লোকজন মাঠে নামলে বোঝা যাবে এবার লাভ হবে, নাকি আবারও লোকসান গুনতে হবে। একই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ফুলবাড়ীর অন্যান্য চামড়া ব্যবসায়ীরাও।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত